Hathazari Sangbad
হাটহাজারীরবিবার , ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩

৭ ফুট লম্বা এক ছড়িতে প্রায় আড়াই হাজার কলা

অনলাইন ডেস্ক:
ডিসেম্বর ২৪, ২০২৩ ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

একটি কলার ছড়িতে সাধারণত কয়েক ডজন কলা ধরে। কিন্তু গাজীপুরে একটি পার্কের কলাগাছের এক ছড়িতেই ধরেছে প্রায় আড়াই হাজার কলা। সাত ফুট লম্বা ছড়িটি যাতে হেলে না পড়ে এজন্য দুপাশে বাঁশ দিয়ে খুঁটি দেওয়া হয়েছে। এমন অদ্ভুত কলা গাছটি দেখতে প্রতিদিন উৎসুক মানুষ ভিড় করছে পার্কে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সম্প্রতি গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানার লতিফপুর এলাকায় মনপুরা পার্কে সাত ফুট লম্বা এ কলা গাছের সন্ধান পাওয়া গেছে।

মনপুরা পার্ক কর্তৃপক্ষ জানান, প্রায় দুই বছর আগে মনপুরা পার্কে ঘুরতে এসে এক পর্যটক একটি কলার চারা উপহার হিসেবে দিয়ে যান। পরে কলার চারাটি পার্কের ভেতরেই রোপণ করেন পার্ক কর্তৃপক্ষ। ধীরে ধীরে ওই চারা গাছটি বড় হতে থাকে। এক সময় চারা গাছটি বড় হয়ে কলাও ধরে।

পরে ওইখান থেকেই নতুন করে একটি কলার চারা জন্ম নেয়। কলা গাছটি বড় হয়। গত ৬ মাস আগে গাছটিতে কলার ছড়ি বের হয়। ছড়িটিও বড় হতে থাকে। বড় হতে হতে কলার ছড়িটি প্রায় ৭ ফুট লম্বা হয়ে মাটিতে ছুঁয়ে যায়। ছড়িটিতে প্রায় আড়াই হাজার কলা ধরেছে। ছড়ির ওপরের অংশের কিছু কলা খাওয়ার উপযোগী। তবে নিচের কলাগুলো একেবারেই ছোট যা খাওয়ার অনুপযোগী। ওই গাছের কলা দেখতে চম্পা কলার মতই। এ ধরনের কলার ছড়ি সচরাচর দেখা যায় না।

তারিকুল ইসলাম তাসকিন নামে এক দর্শনার্থী বলেন, লম্বা কলার ছড়ির কথা শুনে শনিবার গাছটি দেখতে ওই পার্কে গিয়েছিলাম। এতো বড় কলার ছড়ি জীবনেও দেখিনি। তার মতো অনেকেই কলা গাছটি দেখতে পার্কে ভিড় জমিয়েছেন।

মনপুরা পার্কের ব্যবস্থাপক জায়েদ হাসান জানান, গত দুই বছর আগে এক দর্শনার্থী পার্কে ঘুরতে আসেন। তিনি কলাগাছটি উপহার হিসাবে দিয়ে যান। এটি হাজারিকা জাতের কলাগাছ। কলার ছড়ি দেখতে অনেকেই দূর-দূরান্ত থেকে পার্কে আসছেন।

তিনি আরও বলেন, পার্কে কলাগাছের চারাটি রোপণের পর তেমন কোনো যত্ন নেওয়া হয়নি। এমনিতেই বড় হয়। গাছটিতে কলাও ধরে। এবারই প্রথম কোনো কলাগাছে এতো বেশি কলা ধরেছে। কলার ছড়ির ভারে যাতে গাছ ভেঙে না পড়ে, সেজন্য দুটি বাঁশের খুঁটি দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

গাজীপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসান জানান, কলার ছড়িটা দেখতে আমরা পার্কে গিয়েছিলাম। ছড়ির উপরের কলাগুলো খাওয়ার উপযোগী থাকলেও নিচের কলাগুলো খাওয়ার অযোগ্য। এখান থেকে নতুন জাত উদ্ভাবন করা সম্ভব কি না, সে বিষয়ে গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হবে।