Hathazari Sangbad
হাটহাজারীমঙ্গলবার , ১১ জুলাই ২০২৩

চট্টগ্রামে মারামারির নাটক সাজিয়ে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৪

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ১১, ২০২৩ ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চট্টগ্রাম নগরের জনবহুল স্থানে মারামারির নাটক সাজিয়ে ডাকাতি করা একটি চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
 
সোমবার (১০ জুলাই) নগরের বায়েজিদ বোস্তামী, সদরঘাট ও কর্ণফুলী থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ৭ লাখ ১০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার জাফর আহমদের ছেলে একরামুল আলম (৩৭), মিরসরাই উপজেলার শাহ আলমের ছেলে সাহেদ হোসেন মনা (২৪), সাতকানিয়া উপজেলার মো. ইউনুছের ছেলে মো. ইয়াছিন ওরফে এরফান ওরফে সাব্বির (২৪) ও কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দেলোয়ার হোসেনের মো. ইকবাল হোসেন। তাদেরকে আজ (মঙ্গলবার) সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
 
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা সংঘবদ্ধ একটি ডাকাত চক্র। তারা বড় বড় ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে এবং তাদের ব্যাংকিং লেনদেনের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে থাকেন। টার্গেটকৃতদের কে কখন কোন ব্যাংকে টাকা জমা দিতে যায় এবং কখন উত্তোলন করতে যায় এসব বিষয় তারা নজরদারিতে রাখে। সুবিধা বুঝে একদিন টার্গেট করা ব্যক্তি টাকা জমা দেওয়ার আগে বা উত্তোলন করার পর ব্যাংকের আশপাশে নির্ধারিত স্থানে পৌঁছামাত্রই অভিযুক্তরা মারামারির পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। এতে করে দুই পক্ষের মারামারি মনে করে কোনো পথচারী এগিয়ে আসেন না। অন্যদিকে মারামারির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা সুযোগ বুঝে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
 
একই কায়দায় অভিযুক্তরা গত রোববার (৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরের কোতোয়ালি থানার জুবিলী রোডের রয়েল টাওয়ারের সামনে থেকে মোরশেদ আলম ও ত্রিদিব বড়ুয়া নামে দুজনকে মারধর করে নগদ ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী দুজনেই নুর এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। এ ঘটনায় ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক নুর মো. ইয়াছিন কবির বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির বলেন, ঘটনার পর অভিযোগ পেয়ে প্রথমে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আসামি সাহেদ হোসেন মনাকে শনাক্ত করা হয়। এরপর তাকে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে একজনকে সদরঘাট থানা এবং বাকি দুজনকে কর্ণফুলী থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় আসামিদের কাছ থেকে সর্বশেষ ঘটনায় লুণ্ঠিত ৭ লাখ ১০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।