Hathazari Sangbad
হাটহাজারীবৃহস্পতিবার , ২০ জুলাই ২০২৩

উত্তপ্ত হয়ে উঠছে চট্টগ্রামে রাজনীতির মাঠ

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ২০, ২০২৩ ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চট্টগ্রামে রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।বড় দুই দল আ.লীগ ও বিএনপি মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছেন।রাজনীতির মাঠে ক্ষমতা ধরে রাখা ও ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মরিয়া উভয় দল। সাবজেক্ট পরিবর্তন করে রাজপথ গরম রাখছেন দল দুইটি। এতে সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন পেশার ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি দুই দলের কারো চোখে পড়েনা। প্রশাসন দল দুইটিকে নিভৃতি করার প্রাণপণ চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

দ্রব্যমূল্যে বাজারে উর্ধ্বগতির সাথে মানুষের আয়ের অসামঞ্জস্যতা এবং সাথে যোগ হয়েছে প্রচন্ড গরমে ডেঙ্গুর মরন কামড়। এতসব সমস্যার মধ্যে রাজনীতির অস্থিরতা জনজীবনকে বিতৃষ্ণ করে তুলেছেন।

এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে সামনে ভয়াবহ রুপ ধারণ করবে।এতে রক্তাক্ত হবে রাজপথ। দৈনিক আমার সংবাদ কথা বলে আ.লীগ ও বিএনপির সাথে। উভয়ের রাজনীতির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ও সংঘাত মানুষের কর্মঘন্টায় ব্যাপক বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে সেই দিকে উভয় দল কর্ণপাত না করে তাদের নিজস্ব বক্তব্য দেন, নগর আ.লীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর দৈনিক আমার সংবাদকে বলেন, অগ্নি সন্ত্রাসের হাত থেকে মানুষের জানমাল রক্ষার জন্য রাজপথে অবস্থান করছি। মানুষের শান্তি রক্ষার জন্য রাজপথে অবস্থান নিয়েছি। তাঁরা ভোটে না এসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পায়তারা করছে। আন্দোলনের নামে তাঁরা দেশে যে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে জনগণ কখনো মেনে নিবেন না। গত ১৯ জুলাই বুধবার কোন কারন ছাড়া চট্টগ্রাম ১০ আসনের উপনির্বাচনে আমাদের প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চুর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় হামলা ভাঙচুর ও জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করেন। তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আ.লীগকে আর ভোট চুরি করতে দিবেনা জনগণ। সরকার ফের যেনোতেনো একটি নির্বাচন করার পায়তারা করছে। আওয়ামী ক্ষমতায় থাকলে জনগণ কখনো ভোট দিতে পারেনি, এবারো পারবে না। এ কারণেই আমরা বারবার নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের দাবি করছি। তত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। আ.লীগের নির্বাচনী কার্যালয় বিএনপি কোন হামলা করেনি।সম্পূর্ণ ডাহা মিথ্যা কথা। তারা নাটক সাজিয়ে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি‍‍`র দলীয় কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে ছাত্রলীগ যুবলীগ সন্ত্রাসীরা।

চাকরিজীবী সামির আশফাক বলেন, বিনপি তো নতুন দল না, আমরা তাদের শাসনামল দেখেছি, ওরা ক্ষমতায় আসলে যে দেশের উন্নয়নকে আকাশচুম্বী করে ফেলবে সে বিশ্বাস আমাদের নেই। তাই সরকারী ও বিরোধী দলের সকলেরই উচিত আন্দোলনের নামে যেনো পুরোনো দিনের সেই জ্বালাও-পোড়াও শুরু না হয়। এখনকার সাধারন মানুষ আগের সেই ধ্যান-ধারনায় নেই।

আরেক চাকরিজীবী ইফতেখাইরুল ইসলাম রাহাত বলেন, বিএনপি যদি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে আসতে চাই, তাহলে মাঠে থেকে তারা নির্বাচনে প্রচারণা ও আন্দোলন করতে পারে এবং বুদ্ধিমানের কাজ হবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের পক্ষ নিয়ে কিছু বিষয়কে সাথে নিয়ে তোদের আন্দোলন অব্যাহত রাখা। এভাবে জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন- মিছিল -শো ডাউন কারোর জন্যই কাম্য না।